ইসরাইল রোববার (৫অক্টোবর) জানিয়েছে, তারা হামাসের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনায় অংশগ্রহণের জন্য রোববার রাতেই মিসরে রওনা দেবে। এ আলোচনা সোমবার (৬ অক্টোবর) থেকে শুরু হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
জেরুজালেম থেকে এএফপি সংবাদ সংস্থা জানায়, ইসরাইল সরকারের মুখপাত্র শোশ বদ্রোশিয়ান সাংবাদিকদের বলেন, “আমাদের আলোচক দল আজ রাতেই মিসরে পৌঁছাবে। আলোচনা মূলত প্রযুক্তিগত বিষয়ক হবে এবং তা দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি সংঘাতের সমাধান বা চূড়ান্ত শান্তি চুক্তি নয়।”
ইসরাইলি প্রতিনিধিদল এবং হামাসের প্রতিনিধি মিশর মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে আলোচনায় অংশ নেবে। এই ধরনের পরোক্ষ আলোচনার মূল লক্ষ্য সাধারণত যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে মানবিক অবস্থা, বন্দি বিনিময়, এবং নির্দিষ্ট নিরাপত্তা বিষয় নিয়ে সমাধান খোঁজা।
মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে সংঘর্ষ দীর্ঘদিন ধরে চলমান। গাজার একটি বড় অংশে হামাসের নিয়ন্ত্রণ থাকলেও ইসরাইল তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কূটনৈতিক উদ্যোগ চালিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন দেশ মধ্যস্থতা করে দুই পক্ষের মধ্যে শান্তি আলোচনা আয়োজন করেছে।
ইসরাইলি সরকার মনে করছে, এই ধরণের প্রযুক্তিগত আলোচনা দুই পক্ষের মধ্যে বিশ্বাস পুনর্নির্মাণের প্রাথমিক ধাপ হতে পারে। অন্যদিকে, হামাসের পক্ষও মানবিক সংকট এবং বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আলোচনায় বসার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মধ্যপ্রাচ্য কূটনীতিকরা বলছেন, বর্তমান আলোচনার সাফল্য নির্ভর করবে দুই পক্ষের স্থিতিস্থাপকতা ও আন্তর্জাতিক চাপের ওপর। যদিও এটি চূড়ান্ত চুক্তির অংশ নয়, তবুও সাময়িক যুদ্ধবিরতি বা মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।