ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ. এস. এম. সালেহ আহমেদ বলেছেন, খাসজমির সঠিক ব্যবস্থাপনা হলে গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী হবে এবং ভূমিহীন মানুষের জীবনমান উন্নত হবে। পাশাপাশি, ভূমি সংস্কার ও সামাজিক ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠায়ও খাসজমি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
রোববার রাজধানীর ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে খাসমহাল সুরক্ষা বিষয়ক এক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ভূমি সচিব বলেন, খাসমহাল রাষ্ট্রীয় সম্পদের একটি অংশ, যা ভূমিহীনদের মধ্যে বণ্টন, সরকারি প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য অপরিহার্য। বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এই খাসমহাল, যা ব্যক্তি মালিকানার বাইরে থেকে রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রক্ষায় ভূমিকা রাখে।
তিনি বলেন, “খাসমহালের অনেক অংশ দখল, অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মের কারণে রাষ্ট্রীয় স্বার্থ বিঘ্নিত হচ্ছে। তাই খাসমহাল সুরক্ষা এখন সময়ের দাবি।”
সিনিয়র সচিব আরও বলেন, খাসমহালভুক্ত লিজকৃত ও হস্তান্তরকৃত জমি সংক্রান্ত প্রশাসনিক, আইনি ও কারিগরি জটিলতা প্রায়ই ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এসব জটিলতা নিরসনে সুশাসন, তথ্যপ্রযুক্তির প্রয়োগ এবং কার্যকর সমন্বয় অপরিহার্য।
তিনি বলেন, “খাসমহালের সঠিক সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হলে সরকার, প্রশাসন ও জনগণের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। খাসমহাল সুরক্ষা কেবল ভূমি রক্ষার বিষয় নয়, এটি ন্যায্যতা, স্বচ্ছতা ও টেকসই উন্নয়নের পূর্বশর্ত।”
সভায় তিনি আরও বলেন, “আমরা সকলে মিলে খাসমহালকে রক্ষা করি জনগণের কল্যাণে, দেশের উন্নয়নে।”
সালেহ আহমেদ আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গেলে জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পাবে, ভূমি বিরোধ কমবে এবং টেকসই উন্নয়নের পথ প্রশস্ত হবে।