সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৩ লাখ অনুসারী হওয়ার পূর্তি উপলক্ষে ডেনমার্ক দূতাবাস একটি অনলাইন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। অনুসারীদের কাছে জানতে চাওয়া হয়—তারা কেন দূতাবাসের পেজ অনুসরণ করেন এবং কোন ধরনের বিষয়বস্তু তাদের সবচেয়ে আকর্ষণ করে। প্রতিযোগিতায় মোট ১৩৬টি মন্তব্য আসে। এর মধ্যে তিনটি মন্তব্যকে দূতাবাস অন্তর্দৃষ্টি ও টেকসই ভবিষ্যৎ-ভিত্তিক ভাবনার জন্য নির্বাচন করে।
বিজয়ী হিসেবে নির্বাচিত হন শায়েরাহ ফারজানা মুবসুরাহ। রানার-আপ হন শাহরিয়ার হোসেন সাগর এবং সোহেল রানা। তিনজনই পরে ঢাকায় ডেনমার্ক দূতাবাসে আমন্ত্রিত হন। বিজয়ীর হাতে একটি সাইকেল তুলে দেন রাষ্ট্রদূত এবং রানার-আপ দুইজনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
বিজয়ী শায়েরাহ ফারজানা মন্তব্যে বাংলাদেশ-ডেনমার্কের উন্নয়ন সহযোগিতা, বিশেষত লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল প্রকল্প, কার্বন বাজার এবং টেকসই উন্নয়ন নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি ভবিষ্যতে ডেনমার্কে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের ইচ্ছাও জানান।
রানার-আপ শাহরিয়ার হোসেন মন্তব্যে গণতন্ত্র, সবুজ রূপান্তর, তরুণদের ক্ষমতায়ন এবং জনস্বাস্থ্যের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি নবায়নযোগ্য শক্তি ও পরিবেশবান্ধব জীবনযাত্রায় ডেনমার্কের অগ্রগতি উল্লেখ করেন।
দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশ ও ডেনমার্কের মধ্যে বাণিজ্য, জলবায়ু এবং উন্নয়ন সহযোগিতা নিয়ে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ইতিবাচক ও তথ্যভিত্তিক আলোচনা বাড়ছে, যা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে টেকসই ভবিষ্যৎ নিয়ে আগ্রহ ও সংলাপকে শক্তিশালী করছে।