মহম্মদপুর উপজেলার বেথুলিয়া হাটে দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। হাটে সবজি, ফল বা গবাদিপশু বিক্রি করতে আসা সাধারণ কৃষক ও ক্ষুদ্র বিক্রেতারা এতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কেউ মাত্র দুইটি লাউ বা সামান্য কিছু শাকসবজি বিক্রি করতে এলেও তার কাছ থেকে অস্বাভাবিক হারে খাজনা আদায় করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে বিক্রির পরিমাণের সঙ্গে খাজনার কোনো সামঞ্জস্য থাকে না। ফলে লাভ তো দূরের কথা, বিক্রেতারা খরচই তুলতে পারছেন না।
গরু ও ছাগল বিক্রির ক্ষেত্রেও একই চিত্র। নির্ধারিত তালিকা বা সরকারি কোনো নির্দেশনা না মেনেই খাজনা আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। একাধিক বিক্রেতা জানান, খাজনা না দিলে হাটে বসতে দেওয়া হয় না বা নানা ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়।
এতে ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ভোক্তা অধিদপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তাদের দাবি, অবিলম্বে বেথুলিয়া হাটে খাজনা আদায়ের বিষয়টি তদন্ত করে নির্ধারিত হারে আদায় নিশ্চিত করা হোক।
স্থানীয়রা বলছেন, এই অনিয়ম চলতে থাকলে একদিকে যেমন কৃষক ও ক্ষুদ্র বিক্রেতারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, অন্যদিকে বাজারে নিত্যপণ্যের দামও বেড়ে যাবে। তারা আশা করছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেবে এবং সাধারণ মানুষের এই আকুতির বাস্তব সমাধান হবে।