যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক বলেছেন, আগামীর বাংলাদেশ গড়তে যুব সমাজকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার। তাঁর ভাষায়, মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে তরুণরাই হবে মূল চালিকাশক্তি।
রাজধানীর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সেখানে যুব উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল করার নির্দেশনাও দেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৮ সালে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর উদ্যোগে যুব মন্ত্রণালয়ের পথচলা শুরু হয়। সে সময় যুব উন্নয়নে রাষ্ট্রীয় পুরস্কার ও একুশে পদকের মতো সম্মাননা চালুর মাধ্যমে তরুণদের রাষ্ট্রীয় মূলধারায় যুক্ত করা হয়েছিল।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে যে পরিকল্পনা নিয়েছিলেন, তা এখনো নীতিনির্ধারণে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে।
বর্তমান সরকারের লক্ষ্য তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মেধাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ। শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তরুণদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মাধ্যমে ঋণ সুবিধা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি বৈশ্বিক শ্রমবাজারের চাহিদা বিবেচনায় তৃতীয় একটি ভাষা শেখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে জাপানি ভাষা শিক্ষায় নতুন কর্মসূচি নেওয়ার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া সচিব মোঃ মাহবুব-উল-আলম। তিনি কর্মকর্তাদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান, যাতে সরকারের পরিকল্পনা তৃণমূল পর্যায়ে বাস্তবায়িত হয়।
সরকারের এই নতুন কর্মপরিকল্পনা কত দ্রুত এবং কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়, তা এখন দেখার বিষয়। তবে স্পষ্ট যে, নীতিনির্ধারণে যুব সমাজকে কেন্দ্রস্থলে রাখার বার্তা এবার আরও জোরালোভাবে সামনে এসেছে।