ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খানের কণ্ঠে একটা কথা বারবার ফিরে এলো—”ফলাফল সব সময় চোখে পড়ে না, তবে থামলে চলবে না।” তাঁর এই বার্তাটি ছিল পৃথিবীর জন্য লড়াই করা ৩০ তরুণের উদ্দেশ্যে, যারা ‘আর্থ চ্যাম্পিয়ন্স প্রোগ্রাম (ইসিপি)-২০২৪’ সহায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
এক বছর আগে ১,৩০০-র বেশি আবেদনের ভিড় থেকে দেশের আট বিভাগের ৩০ জনকে বেছে নেওয়া হয়। তাদের প্রত্যেকের পেছনে আছে জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে নিজের জীবনের গল্প। এবার সেই গল্পগুলোর নতুন অধ্যায় শুরু হলো।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, “পরিবেশের সংকট মোকাবিলা কোনো এক ধাপের কাজ নয়; এটি টিকে থাকা, বড় হওয়া এবং ছড়িয়ে পড়া এক অবিরাম প্রক্রিয়া।” তাঁর সঙ্গে একমত পোষণ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদ, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিক্স-এর ডিন অধ্যাপক এ কে এম ওয়ারেসুল করিম, অক্সফাম বাংলাদেশের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর শান্তা সোহেলী ময়না এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের ফকরুদ্দিন আল কবির।
গত এক বছরে এই ৩০ তরুণ দেশজুড়ে গড়ে তুলেছেন ১৫টি নতুন ‘আর্থ ক্লাব’। এর ফলে ইসিপির আগের সহায়কদের তৈরি ৮০-র বেশি ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নেটওয়ার্কটি আরও সমৃদ্ধ হলো।
অক্সফাম বাংলাদেশ ও গ্রিনপিস-পাওয়ার্ড সংগঠন ‘রুটস পিপল’-এর সহায়তায় পরিচালিত এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে তরুণরা শিখেছেন কীভাবে নিজেদের অভিজ্ঞতাকে সমাজ বদলের হাতিয়ার করা যায়।
অনুষ্ঠান শেষে নতুন সহায়করা একে অপরের সঙ্গে অঙ্গীকার করেন—”আমরা থামব না, কারণ পৃথিবীর ডাক এখনো শেষ হয়নি।”