বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) দ্রুত স্বাক্ষরের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন বাংলাদেশে চায়নিজ এন্টারপ্রাইজেস অ্যাসোসিয়েশনের (সিইএবি) প্রেসিডেন্ট হান খুন। তিনি মনে করেন, এ চুক্তি হলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও বাড়বে, তৈরি হবে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ।
বাংলাদেশের গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হান খুন বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক ইতোমধ্যে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। তবে একটি আনুষ্ঠানিক এফটিএ হলে দ্বিপাক্ষিক সুযোগ আরও বাড়বে, যা দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
তিনি জানান, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনুকূল বিনিয়োগ পরিবেশের কারণে অনেক চীনা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে এসেছে। তবে এফটিএ চূড়ান্ত করতে দেরি হওয়ায় কিছু সম্ভাব্য বিনিয়োগকারী উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। তার মতে, চুক্তি স্বাক্ষর দ্রুত হলে এসব চ্যালেঞ্জ কাটবে এবং নতুন বিনিয়োগ প্রবাহ বাড়বে।
২০২৫ সালে বাংলাদেশ ও চীন কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করেছে। হান খুন বলেন, এ দীর্ঘ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে একটি এফটিএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত সিইএবি বর্তমানে প্রায় ২৫০টি সদস্য কোম্পানি নিয়ে বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসব কোম্পানির অর্ধেকই অবকাঠামো খাতে কাজ করছে। প্রায় ৩০ শতাংশ তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল খাতে, আর বাকিরা বাণিজ্য, লজিস্টিকস ও বিমান চলাচল খাতে সক্রিয়।
হান খুন আশা প্রকাশ করেন, দ্রুত এফটিএ হলে বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ আরও বাড়বে এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।