দেবিদ্বার উপজেলার ভানী ও সুলতানপুর ইউনিয়নে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আয়োজিত পদযাত্রা ও গণযোগাযোগ কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ নিজের রাজনৈতিক অবস্থান ও পথচলার কথা তুলে ধরেন।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) স্থানীয় জনগণের উদ্দেশে তিনি বলেন, মাত্র ৯ মাসের একটি নতুন দলের প্রার্থী হয়ে ৫০০ ভোট পেলেও সেটাই বড় অর্জন। এক রাজমিস্ত্রীর ছেলে হয়েও এমপি নির্বাচনে দাঁড়ানোকে তিনি সম্মান ও আত্মবিশ্বাসের বিষয় হিসেবে তুলে ধরেন। তার ভাষায়, বড় বংশ, সম্পদ বা বিদেশি ডিগ্রি নয়—মানুষের ভালোবাসাই তার শক্তি।
তিনি বলেন, চাঁদাবাজির চেয়ে মানুষের কাছে ভোট চাওয়া অনেক ভালো। যারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে আয় করে, তাদের চেয়ে ভোট ভিক্ষা করাকে তিনি শ্রদ্ধার জায়গায় রাখেন। জনগণের উদ্দেশে তিনি বলেন, “ওপরে আল্লাহ, নিচে আপনারা। আমাদের এজেন্টও নেই। দুইটা–একটা করে ভোট ভিক্ষা দেন।”
গত বছরের জুলাইয়ের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, সেদিন সড়কে যারা অবরোধ করেছিলেন তারা বেশিরভাগই হাফপ্যান্ট পরা তরুণ। পায়জামা পরা কাউকে পাওয়া যায়নি। ওই তরুণরাই গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শাপলা কলি প্রতীক পেয়েছেন জানিয়ে হাসনাত বলেন, রিজিক আল্লাহর হাতে। কেউ বিরূপ আচরণ করলেও শান্তিপূর্ণ আচরণের মধ্যেই তিনি রাজনীতির পথ দেখেন। “কেউ পাথর ছুড়লে ফুল দেব, গালি দিলে সালাম দেব”—এভাবে তিনি বিভেদ এড়িয়ে চলার আহ্বান জানান।
দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি খাদঘর, সূর্যপুর, সাহাড়পাড়, ফুলতলি, নোয়াগাঁও, সাইতলা বাজার, কূরছাপ ও আতাপুর এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভা করেন।
এ সময় তিনি জুলাইয়ে নিহত কাদির হোসেন সোহাগের বাড়িতে গিয়ে তার মা ও পরিবারের খোঁজখবর নেন। স্থানীয় নেতারাও তার সঙ্গে ছিলেন।