ব্যক্তিগত জীবনে ফাতেমা ছিলেন সদ্য প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সহচর। রাজনীতি ও ব্যক্তিজীবনের নানা কঠিন সময়ে তিনি ছিলেন বেগম খালেদা জিয়ার একান্ত পাশে—নিঃশব্দে, নিরবচ্ছিন্নভাবে।
দলীয় সূত্র ও ঘনিষ্ঠদের ভাষ্য অনুযায়ী, বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর আনুগত্য ও মানবিক দায়বদ্ধতা থেকেই ফাতেমা তার জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। বেগম খালেদা জিয়া কারাবন্দী থাকাকালীন সময়েও তিনি সঙ্গ ছাড়েননি। প্রয়োজনে কারাগার পর্যন্ত গেছেন। বেগম খালেদা জিয়া যেখানে গেছেন, অধিকাংশ সময়েই ফাতেমাকে তার পাশে দেখা গেছে। বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি তার দায়িত্ববোধে কখনো ভাটা পড়েনি।
ফাতেমার ব্যক্তিগত জীবনের আরেকটি দিক ছিল তার পারিবারিক দায়িত্ব। গ্রামের বাড়িতে থাকতেন তার বাবাহারা সন্তানরা। নিজের সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও তিনি পরিবারের প্রতি তার দায়িত্ব পালন করে গেছেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, ফাতেমার জীবনে তিনি ছিলেন আশ্রয় ও ভরসার প্রতীক। সেই কারণেই বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে ফাতেমা নিজেকে আজ ‘এতিম’ মনে করছেন—এমন অনুভূতির কথা জানিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠরা।
ফাতেমা জিয়া পরিবারের একজন অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। তার ত্যাগ, বিশ্বস্ততা ও মানবিক ভূমিকা জিয়া পরিবার ভুলে যাবে না—এমন প্রত্যাশা সকলের।
রাজনীতির আলোঝলমলে জগতের বাইরে থেকেও ফাতেমার মতো মানুষেরা ইতিহাসের নীরব সাক্ষী হয়ে থাকেন। ক্ষমতার কেন্দ্রে না থেকেও তারা হয়ে ওঠেন বিশ্বাস ও নির্ভরতার প্রতীক—ফাতেমার জীবন তারই এক উদাহরণ।