২০২৫ সালে অপরিশোধিত তেল উৎপাদনে নতুন রেকর্ড গড়েছে চীন। দেশটির মোট তেল উৎপাদন পৌঁছেছে ২১ কোটি ৫০ লাখ টনে। প্রধান তেল ও গ্যাসক্ষেত্রগুলোতে উৎপাদন বাড়ার ফলেই এই সাফল্য এসেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
চীনের প্রথম তেল খনি হিসেবে পরিচিত ইউমেন অয়েলফিল্ডে ২০২৫ সালে আবারও তেল ও গ্যাস উৎপাদন ১০ লাখ টন ছাড়িয়েছে। পাশাপাশি সেখানে নবায়নযোগ্য জ্বালানির নতুন স্থাপিত সক্ষমতা ১০ লাখ কিলোওয়াটের বেশি হয়েছে, যা জ্বালানি রূপান্তরের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।
উত্তর-পশ্চিম চীনের তাকলামাকান মরুভূমিতে অবস্থিত দেশের বৃহত্তম তেলক্ষেত্র হাদে–ফুমান অয়েলফিল্ডেও উৎপাদনে নতুন ইতিহাস তৈরি হয়েছে। এ ক্ষেত্র থেকে বার্ষিক তেল ও গ্যাস উৎপাদনের সমতুল্য পরিমাণ ৫০ লাখ টন ছাড়িয়েছে।
এদিকে, উত্তর-পশ্চিম চীনের অরদোস বেসিনে অবস্থিত তানিউতি ও তোংশেং গ্যাসক্ষেত্র থেকে সম্মিলিতভাবে ৭০ বিলিয়ন ঘনমিটারের বেশি প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন করা হয়েছে। টাইট স্যান্ডস্টোন গ্যাস উন্নয়নে এটিকে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইনার মঙ্গোলিয়ার বায়ান অয়েলফিল্ডে ২০২৫ সালে অপরিশোধিত তেল উৎপাদন ৫০ লাখ টন ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে, সিছুয়ান বেসিনের পুকুয়াং গ্যাসক্ষেত্র থেকে মোট গ্যাস উৎপাদন ১৪০ বিলিয়ন ঘনমিটার অতিক্রম করেছে।
সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে চীনে তেল উৎপাদন মোটামুটি স্থিতিশীল থাকলেও প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬০ বিলিয়ন ঘনমিটারে। বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রবৃদ্ধি চীনের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি ভবিষ্যতের চাহিদা মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।