পারস্পরিক শুল্ক কমাতে বাংলাদেশের প্রস্তাব: ইতিবাচক সাড়া যুক্তরাষ্ট্রের

ওয়াশিংটন ডিসি — জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খালিলুর রহমান বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি অ্যাম্বাসাডর জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি ও পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়। পরে তিনি সহকারী ইউএসটিআর ব্রেনডান লিঞ্চের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেন।

ড. রহমান বলেন, পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর না হলেও বাংলাদেশ ইতিমধ্যে আমদানি বৃদ্ধি করেছে এবং বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়েছে। তিনি চুক্তির বেশ কিছু মূল বিষয় আগে থেকে বাস্তবায়ন করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশ পক্ষ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পারস্পরিক শুল্ক ২০ শতাংশ কমানোর প্রস্তাব দেয়। অ্যাম্বাসাডর গ্রিয়ার প্রস্তাবটি ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেন। যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত উপকরণ ব্যবহার করলে বাংলাদেশের পোশাক পণ্যে শুল্ক কমানো কিংবা তুলে দেওয়ার বিষয়টিও তিনি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার কথা জানান।

উভয় পক্ষ অবশিষ্ট কয়েকটি ইস্যুর দ্রুত সমাধানে একমত হয়, যাতে শুল্ক চুক্তিটি শিগগির চূড়ান্ত ও কার্যকর করা যায়।

ড. রহমান বলেন, দুই দেশের বাণিজ্য বাড়লে ব্যবসায়িক যোগাযোগও বাড়বে। যুক্তরাষ্ট্রের ‘ভিসা বন্ড’ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করার পর ব্যবসায়িক ভ্রমণ সহজ করতে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতাও তিনি চান।

বেসরকারি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অর্থায়ন সংস্থা (ডিএফসি) থেকে সহায়তা পাওয়ার বিষয়ও আলোচনায় ওঠে। অ্যাম্বাসাডর গ্রিয়ার এ বিষয়ে সহায়তার আশ্বাস দেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ পক্ষের সঙ্গে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত তারেক এমদাদ আরিফুল ইসলাম। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অ্যাম্বাসাডর গ্রিয়ার ও সহকারী ইউএসটিআর ব্রেনডান লিঞ্চসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ড. রহমান শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *