সফররত ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে ঢাকায় বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন। রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকায় অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিশেষ করে ভুটানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, কুড়িগ্রামে চলমান স্পেশাল ইকোনমিক জোন প্রকল্প দুই দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পর্যায়ের (G2G) উদ্যোগ। তিনি জানান, এই অর্থনৈতিক অঞ্চল ভবিষ্যতে ভুটানের পরিকল্পিত ‘গেলেপু মাইন্ডফুলনেস সিটি’র সঙ্গে যুক্ত হয়ে বাণিজ্য ও শিল্প সহযোগিতা আরও সহজ করবে।
বেজা চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ কুড়িগ্রাম ইকোনমিক জোন বাস্তবায়নে সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, “কুড়িগ্রাম ও গেলেফু একসঙ্গে আমাদের যৌথ অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের শক্তিশালী ইঞ্জিন হয়ে উঠতে পারে।”
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের আর্থিক ও ব্যবসায়িক খাতে ভুটানি উদ্যোক্তাদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। সম্ভাবনা যাচাইয়ের জন্য তারা শিগগিরই একটি উচ্চপর্যায়ের দল বাংলাদেশে পাঠাতে চান।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে লন্ডনে দুই দেশের নেতাদের বৈঠকের পর থেকেই কুড়িগ্রামে ভুটানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এরপর ২০২৪ সালের ২৫ মার্চ ভুটানের রাজা বাংলাদেশ সফরে এলে G2G ভিত্তিতে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনে একটি সমঝোতা স্মারকে সই হয়।
বেজা কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ২১৯.৬৪ একর জমিতে বাংলাদেশ–ভুটান যৌথ উদ্যোগে এ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছে। সফলভাবে বাস্তবায়ন হলে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক একটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রয়োজনে আমি আরও সংক্ষেপ, বিশ্লেষণধর্মী বা হুমায়ূন আহমেদের ঢংয়ে ভাষা সহজ করে নতুন সংস্করণ বানিয়ে দিতে পারি।