বিভিন্ন বিতর্ক ও আইনি জটিলতা পেরিয়ে সোমবার (৬ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন। বিসিবি ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবার গঠনতন্ত্র ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নীতিমালা অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজন করতে সক্ষম হয়েছে বলে জানা গেছে।
নির্বাচন ঘিরে সবচেয়ে বড় বিতর্ক ছিল ১৫টি ক্লাবের ভোটাধিকার নিয়ে। অনিয়মের প্রমাণ ও নানা অভিযোগের পরও বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে এই ক্লাবগুলো ভোটাধিকার ফিরে পায়। ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার পথ খুলে যায়।
তবে আদালতের প্রথম রায়ের পর অনেক প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন। পরে তারা ভুল বুঝতে পারলেও তখন আর ফিরে আসার সুযোগ ছিল না। পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, তারা উইথড্র না করলে নির্বাচনটি আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও সুন্দর হতো।
অন্যদিকে, ভোট থেকে সরে দাঁড়ানো ক্লাব সংগঠকরা নির্বাচনের সময়সূচি পুনর্নির্ধারণের দাবি তুললেও শেষ মুহূর্তে তা সম্ভব হয়নি। কারণ, বিসিবির বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে নির্বাচন সম্পন্ন না করলে প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি হতে পারতো। আদালতের আদেশও ছিল নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন আয়োজনের পক্ষে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যারা এবার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেননি, তাদের দক্ষতা ক্রিকেটের উন্নয়নে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পরবর্তী নির্বাচিত বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে বিভিন্ন কমিটিতে তাদের যুক্ত করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনের দিনটিতে ক্রিকেট অঙ্গনের প্রত্যাশা—যারা নির্বাচিত হবেন, তারা যেন দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দেশের ক্রিকেট উন্নয়নে কাজ করেন।