বাংলাদেশে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে বৈশ্বিক ও জাতীয় পর্যায়ের অংশীদারদের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যেই এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন শোভা শেট্টি এবং জিয়াওকুন শী।
শোভা শেট্টি বর্তমানে গ্লোবাল এগ্রিকালচার এন্ড ফুড সিকিউরিটি প্রোগ্রাম -এর প্রধান এবং কৃষি বিষয়ক সিনিয়র উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে জিয়াওকুন শি বাংলাদেশে FAO-এর প্রতিনিধি।
বৈঠকে আরও অংশ নেয় ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট -এর প্রতিনিধি, FAO কর্মকর্তারা এবং দেশের বিভিন্ন কৃষক উৎপাদক সংগঠনের নেতারা। এতে মাঠপর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে একটি সেতুবন্ধ তৈরি হয়।
আলোচনায় খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জলবায়ু সহনশীল কৃষি ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে ছোট ও প্রান্তিক কৃষকদের সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টি সামনে আসে। বক্তারা বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে খাদ্যব্যবস্থা আরও স্থিতিশীল করা জরুরি।
বৈঠকটি অংশীদারদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে। একই সঙ্গে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার পথও সুগম হয়। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এ ধরনের সমন্বিত উদ্যোগ কৃষকদের আয় বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকার, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং স্থানীয় সংগঠনের সমন্বয় ছাড়া খাদ্যব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই এ ধরনের উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রয়োজনীয় বলেই মনে করা হচ্ছে।