চীনা ভাষা শেখার গুরুত্ব বাড়ছে, বাংলাদেশ–চীন সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে

 

প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য চীনে যাচ্ছেন। অনেকেই সেখানে থেকে ব্যবসা-বাণিজ্যেও যুক্ত হচ্ছেন। এ কারণে চীনা ভাষা শেখার গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ মোহাম্মদ আবুল ফায়েজ।

শনিবার (১৩ই ডিসেম্বর) ঢাকায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের গুরুত্ব কোনোভাবেই খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। চীনা ভাষা শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও একাডেমিক সহযোগিতার মাধ্যমে এই ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ–চীন সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে।

তিনি তাঁর চীন সফরের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, বহু বছর আগে প্রথমবার চীন সফরের পর সর্বশেষ সফরে দেশটির অভূতপূর্ব উন্নয়ন তাকে গভীরভাবে মুগ্ধ করেছে। তাঁর ভাষায়, চীনের অগ্রগতি সত্যিই বিস্ময়কর। সেখানকার বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উচ্চমানের শিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের একাগ্রতা চোখে পড়ার মতো।

ড. আবুল ফায়েজ আরও বলেন, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট হলো চীনা সরকারের একটি আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি। এর মূল লক্ষ্য বিশ্বজুড়ে চীনা ভাষা শিক্ষা প্রসার, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি করা। বাংলাদেশে এসব ইনস্টিটিউট চীনা ভাষা শিক্ষা ছাড়াও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, একাডেমিক সহযোগিতা, বৃত্তি সহায়তা এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তিনি বলেন, বাণিজ্য, শিক্ষা ও অবকাঠামো খাতে বাংলাদেশ–চীনের ক্রমবর্ধমান সহযোগিতার কারণে দেশে চীনা ভাষা শেখার আগ্রহ বেড়েছে। এই বাড়তি চাহিদা পূরণে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ–চীন সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় চীনের অবদান প্রশংসনীয়। ভবিষ্যতে এই বন্ধুত্ব আরও গভীর ও বিস্তৃত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *