রাজশাহীর প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান কীভাবে বদলাচ্ছে—তা সরেজমিন দেখতে বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনাররা ব্র্যাকের সঙ্গে মাঠপর্যায়ে সময় কাটিয়েছেন। সেখানে তারা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, সংখ্যালঘু এবং নিম্ন আয়ের পরিবারের মেয়েদের শিক্ষা, জীবিকা, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্যোগ সম্পর্কে জানতে পারেন।
সম্প্রতি কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং এবং অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল রাজশাহীতে এসব কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এসময় তাদের সাথে ছিলেন ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ।
পরিদর্শনের সময় কূটনীতিকরা কয়েকটি পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। অনেকেই জানান, টেকসই জীবিকা, নিরাপদ পানির ব্যবস্থাপনা এবং মেয়েদের বিদ্যালয়ে যাওয়ার সুযোগ বেড়েছে। এতে পরিবারগুলো ধীরে ধীরে আর্থ-সামাজিক দুরবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে।
ব্র্যাকের তথ্যমতে, কানাডার ৪৫ মিলিয়ন ডলারের সহায়তায় বাংলাদেশে শিক্ষা, যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার (SRHR), দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং জীবিকা উন্নয়ন কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। এতে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ও দারিদ্র্যপীড়িত অঞ্চলের মানুষ উপকৃত হবে।
হাইকমিশনাররা জানান, এসব উদ্যোগ বাংলাদেশে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা ও ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সহায়তা করছে। বিশেষ করে মেয়েদের শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তারা।
রাজশাহীর মাঠপর্যায়ের এই পরিদর্শনকে কূটনৈতিক মহলে উন্নয়ন-সহযোগিতার ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ব্র্যাক বলছে, সরকারের নীতি সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক সহায়তার ফলে উন্নয়ন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে।