নারীর অধিকারকে কেবল নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নয়, রাষ্ট্র সংস্কারের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে তুলে ধরেছে ১১ দলীয় জোট। জোট নেতারা বলছেন, নারীর নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত না হলে প্রকৃত গণতন্ত্র ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব নয়।
এই রাজনৈতিক অবস্থানের বাস্তব উদাহরণ হিসেবে জোটটি ঢাকা-১৯ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি মনোনীত প্রার্থী দিলশানা পারুল এবং ঢাকা-২০ আসনে ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদকে সামনে এনেছে।
জোট সূত্র জানায়, কুয়েট থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করা ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ রাজনীতিতে এসেছেন নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। অন্যদিকে দিলশানা পারুল প্রবাসের নিরাপদ জীবন ছেড়ে ডিজিটাল মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আলোচনায় আসেন।
১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনে জয়ী হলে মাতৃত্বকালীন সময়ে নারীদের জন্য ৬ মাসের পূর্ণ বেতনসহ ছুটি নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি প্রান্তিক ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের মেয়েদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়াতে বিশেষ শিক্ষাবৃত্তি চালুর পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়েছে।
জোট নেতারা মনে করেন, নারীর জন্য নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সে লক্ষ্যেই ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের আহ্বান জানিয়ে তারা ভোটারদের তারুণ্যের সাহসী প্রতীক ‘শাপলা কলি’ মার্কায় আস্থা রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন।