ঢাকায় ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন–এর রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠকে সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে অভিনন্দন জানিয়েছে ইইউ।
বৈঠক শেষে ইইউ জানায়, নির্বাচন পরিচালনায় কারিগরি সহায়তা এবং ইইউ ইলেকশন অবজারভেশন মিশন–এর ভূমিকার জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। ইইউ প্রতিনিধি দলও এই সহযোগিতাকে ইতিবাচক বলে উল্লেখ করে।
বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন–এর কাজ এখনও চলমান রয়েছে। সামনে উপনির্বাচন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এসব নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের ১২টি সিটি করপোরেশন, ৪৯৫টি উপজেলা এবং ৪,৫৮২টি ইউনিয়ন পরিষদের স্থানীয় গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো নবায়ন করা হবে।
ইইউ জানিয়েছে, তারা তাদের অংশীদার ইইউরোপিয়ান পার্টনারশিপ ফর ডেমক্রেসি (ইপিডি) এবং ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেকটোরাল সিস্টেম (আইএফইএস)–এর সঙ্গে যৌথভাবে বাংলাদেশে নির্বাচন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও গণতন্ত্র জোরদারে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
বিশেষ করে, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক ও স্বাধীন ম্যান্ডেট কার্যকরভাবে পালনে সহায়তা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে ইইউ। পর্যবেক্ষকদের মতে, স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচনগুলো সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হলে তা দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে।