পার্বত্য জেলা বান্দরবান-এর দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ অভিযানে প্রায় ৪৩ একর অবৈধ পপি ক্ষেত ধ্বংস করা হয়েছে।
সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত ২২ ও ২৩ ফেব্রুয়ারি সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানটি চালানো হয় ডিমপাহাড় ও সাঙ্গু নদী-এর মধ্যবর্তী দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে।
অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) যৌথভাবে অংশ নেয়। মোট ১৭টি স্থানে ছড়িয়ে থাকা পপি ক্ষেত চিহ্নিত করে ধ্বংস করা হয়।
পপি গাছ থেকে আফিম উৎপাদন করা হয়, যা পরবর্তীতে বিভিন্ন মাদকদ্রব্য তৈরিতে ব্যবহার হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় মাঝে মধ্যে অবৈধ পপি চাষের চেষ্টা হয়। এসব চাষ নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান চালানো হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানিয়েছে, ওই এলাকায় এখনো কিছু জমিতে অবৈধ পপি চাষ চলমান থাকতে পারে। সেগুলো শনাক্ত ও ধ্বংস করতে ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশের সব জাতিগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে তারা পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলবে বলে জানানো হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পাহাড়ি অঞ্চলে অবৈধ পপি চাষ রোধে শুধু আইনশৃঙ্খলা অভিযান নয়, বিকল্প জীবিকা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। তা না হলে স্থানীয় পর্যায়ে ঝুঁকিপূর্ণ এই চাষ পুরোপুরি বন্ধ করা কঠিন হতে পারে।