ঢাকায় একটু ভিন্ন রঙের এক আয়োজন হলো। নাম—নর্ডিক ডে। সময়ের আগেই উদযাপন। তবু উচ্ছ্বাসে কোনো ঘাটতি ছিল না।
উত্তর ইউরোপের পাঁচ দেশ—ডেনমার্ক, সুইডেন, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড এবং আইসল্যান্ড—একসঙ্গে পরিচিত ‘নর্ডিক’ নামে। এই দেশগুলোর পরিচয় আলাদা। কিন্তু তাদের কিছু মিল আছে। তারা বিশ্বাস করে আস্থায়। সমতায়। টেকসই উন্নয়নে। নতুন চিন্তায়। নিরাপত্তায়। আর খোলামেলা সমাজে।
এই মূল্যবোধই তাদের শক্তি। আবার এই শক্তিই তাদের এক করে রাখে।
বাংলাদেশে এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য ছিল—‘ইনক্লুসিভ সোসাইটিজ, স্ট্রং টুগেদার’। বাংলায় বললে—সবাইকে নিয়ে এগোনো, একসঙ্গে শক্তিশালী হওয়া। কথাটা সহজ। কিন্তু ভেতরে গভীরতা আছে।
অনুষ্ঠানে কূটনীতিকরা ছিলেন। উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি ছিলেন। তরুণরাও ছিল। কথাবার্তা হয়েছে। অভিজ্ঞতা ভাগ হয়েছে। ছোট ছোট হাসি ছিল। আর ছিল বড় কিছু ভাবনা।
নর্ডিক দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নতুন নয়। বহুদিনের। উন্নয়ন, শিক্ষা, জলবায়ু—অনেক ক্ষেত্রে তারা পাশে আছে। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের মতো কঠিন ইস্যুতে এই সম্পর্ক আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
এই আয়োজন সেই সম্পর্কের কথাই মনে করিয়ে দিল। বন্ধুত্বের কথা। আস্থার কথা।
নর্ডিক ডে শুধু একটি অনুষ্ঠান না। এটা একধরনের বার্তা।
বার্তাটা সহজ—একসঙ্গে থাকলে পথ সহজ হয়।