বাংলা একাডেমির উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হলো ‘সাহিত্যের রাজনীতি’ শীর্ষক সেমিনার। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে এ আলোচনা হয়।
সেমিনারে সূচনা বক্তব্য দেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্রিটিশ কথাসাহিত্যিক জিয়া হায়দার রহমান, আর সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ফিরদৌস আজিম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলা একাডেমির সহপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ড. মাহবুবা রহমান।
অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বলেন, “সাহিত্য মূলত রাজনৈতিকই। শক্তিমান কথাসাহিত্যিক জিয়া হায়দার রহমান আমাদের সাহিত্য ও রাজনীতিকে কীভাবে দেখেন—তা জানতেই আজকের এই আয়োজন।”
মূল বক্তব্যে জিয়া হায়দার রহমান বলেন, “আমরা সাহিত্যে মানুষের মুক্ত প্রকাশ প্রত্যাশা করি, কিন্তু রাজনীতির সংকটে তা প্রায়ই অপ্রকাশের চক্রে পড়ে যায়। কর্তৃত্ববাদী শাসনের অবসানে নতুন ভোরের অপেক্ষা যেন এখন মনে করিয়ে দেয়—অন্ধকার এখনো গভীর।”
তিনি আরও বলেন, “সাহিত্য বা সাহিত্যিকের হাতে হয়তো সুদিন আনার কোনো সূত্র নেই, তবে তাদের স্বচ্ছ পর্যবেক্ষণ সমাজ পরিবর্তনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন আমাদের চিন্তা ও তৎপরতার মধ্য দিয়েই অভ্যুত্থান ঘটাতে হবে।”
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ফিরদৌস আজিম বলেন, “জিয়া হায়দার রহমান তাঁর লেখায় যেমন মানুষের বিচিত্র বাস্তবতা তুলে ধরেন, তেমনি আজকের আলোচনায় রসবোধের মিশেলে সাহিত্য ও রাজনীতির অন্তর্গত সম্পর্ককে তিনি দারুণভাবে উন্মোচন করেছেন।”
আলোচনা শেষে উপস্থিত শ্রোতা ও অংশগ্রহণকারীদের প্রশ্নের উত্তর দেন জিয়া হায়দার রহমান।