কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মাদক কারবার নিয়ে বিরোধের জেরে জনি ইসলাম (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার বেলা দেড়টার দিকে প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত জনি জামালপুর গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে। তিনি সীমান্ত এলাকার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকসহ অর্ধ ডজন মামলা রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, জনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত। দৌলতপুরে ঘটানো আলোচিত মোহন হত্যা মামলার প্রধান আসামিও তিনি। এসব অপরাধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল।
শনিবার দুপুরে প্রতিপক্ষের লালু ও সোহানের নেতৃত্বে ৩০–৩৫ জন লোক দেশিয় অস্ত্র নিয়ে জনির ওপর হামলা চালায়। তারা ধারালো হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে তার পায়ের রগ কাটে। ঘটনাস্থলেই জনির মৃত্যু নিশ্চিত করে তারা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। বিকেলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয়রা জানান, চোরাচালান ও মাদক কারবার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় জনিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছিল। মোহন হত্যা মামলার জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে তাদের ধারণা।
দৌলতপুর থানার ওসি সোলায়মান শেখ বলেন, “জনি একজন কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদক ও পুরোনো বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষরা তাকে হত্যা করেছে। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।