এলডিসি উত্তরণের পথে বাংলাদেশ:  সহযোগিতা কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা

বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় অংশীদার ও বন্ধু দেশ হিসেবে সুইজারল্যান্ড দীর্ঘদিন থেকে সহযোগিতা করে আসছে। আগামী তিন বছর (২০২৬–২০২৮) সেই সহযোগিতার কাঠামো কেমন হবে, সে বিষয়ে সম্প্রতি ঢাকার সুইস দূতাবাস অংশীজন ও সহযোগী সংস্থাগুলোর সাথে বৈঠক করেছে। মূল লক্ষ্য ছিল, বাংলাদেশ যখন এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) পর্যায় থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন সুইস সহযোগিতা যেন বাস্তবসম্মত, দায়িত্বশীল এবং সময়োপযোগী থাকে।

বৈঠকে আলোচনার বড় অংশজুড়ে ছিল অতীত অভিজ্ঞতা ও সফল প্রকল্পসমূহ। জলবায়ু সহনশীলতা, অভিবাসন, রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলা, বেসরকারি খাত উন্নয়ন এবং সুশাসন—এ পাঁচটি ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ কাজের কথা বিশেষভাবে উঠে আসে। অংশগ্রহণকারীরা জানান, দীর্ঘ ৫০ বছরের অংশীদারিত্বের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যৎ সহযোগিতা আরও লক্ষ্যভিত্তিক হওয়া উচিত।

এই পর্যালোচনায় ২০২৬ সাল থেকে অগ্রাধিকার ঠিক করার পাশাপাশি পরবর্তী কার্যপ্রক্রিয়া নিয়ে মতবিনিময় হয়। উদ্দেশ্য একটাই—বাংলাদেশের উন্নয়নের বর্তমান গতিকে সামনে রেখে সুইস সহযোগিতা যেন নির্ভরযোগ্য ও কৌশলগতভাবে প্রাসঙ্গিক থাকে, বিশেষ করে এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী সময়ে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, ধারাবাহিক ও বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রযাত্রায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। সুইস দূতাবাসের এই উদ্যোগকে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *