কৃষি সমাজের সার্বিক উন্নয়নে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি)-কে একটি আদর্শ বা মডেল প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার। এজন্য সব স্তরের কৃষিবিদ ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ।
বুধবার ঢাকার ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের বোর্ডরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনের বিষয় ছিল—কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা, সংস্কার ও পরিচালনায় অর্জিত সাফল্য।
উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেন, ৫ আগস্টের পর তদারকির অভাবে কেআইবির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিন ধরে চলা অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির কারণে প্রতিষ্ঠানটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এসব সমস্যা থেকে প্রতিষ্ঠানটিকে মুক্ত করতে একজন দক্ষ প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দিকনির্দেশনায় ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম শুরু করা হয়।
তিনি আরও জানান, এই সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গত ৪ জানুয়ারি সব স্টেকহোল্ডারের অংশগ্রহণে একটি অন্তর্বর্তীকালীন উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি কেআইবির কার্যক্রমে নতুন গতি এনেছে এবং প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়িয়েছে।
শারমীন এস মুরশিদ বলেন, বর্তমানে যে অংশগ্রহণমূলক ব্যবস্থাপনা মডেল অনুসরণ করা হচ্ছে, তা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে কেআইবি সব কৃষিবিদের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হবে। একই সঙ্গে এই মডেল যেকোনো সংকটে প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করবে এবং দেশের অন্যান্য পেশাজীবী সংগঠনের জন্য একটি অনুসরণযোগ্য দৃষ্টান্ত হয়ে উঠবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের প্রশাসক লে. কর্নেল (অব.) মো. আব্দুর রব খান, সাবেক মহাসচিব কৃষিবিদ আনোয়ারুন নবী মজুমদার বাবলা এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের অন্যান্য প্রতিনিধিরা।