বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে যথাযথভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত পোলিং এজেন্টদের দায়িত্ব পালন করতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেছেন তাসনিম জারা । অন্তত পাঁচটি কেন্দ্রে তাদের এজেন্টদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি বা জোর করে বের করে দেওয়া হয়েছে।
জারার অভিযোগ অনুযায়ী, ৫৪, ১২৫, ১৬৪, ১৬৫ ও ১৬৭ নম্বর কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্রে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। কোথাও বলা হয়েছে, তারা ওই আসনের ভোটার নন। তবে, নির্বাচন আইনে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই যে পোলিং এজেন্টকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট আসনের ভোটার হতে হবে।
আরও কিছু কেন্দ্রে পুরুষ পোলিং এজেন্টদের নারী ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। তাদের জানানো হয়, নারী কেন্দ্রে কোনো পুরুষ এজেন্ট দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। কিন্তু নির্বাচন আইনে এমন কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
কিছু ক্ষেত্রে এজেন্টরা দিনের কিছুটা পরে কেন্দ্রে পৌঁছালে তাদের জানানো হয়, ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেলে আর কেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে না। তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষ বলছে, আইন অনুযায়ী বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত যে কোনো সময় পোলিং এজেন্ট কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারেন।
এছাড়া কয়েকটি কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও এজেন্টদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তাদের কাছে জাতীয় পরিচয়পত্র, ছবি এবং স্বাক্ষরিত অনুমতিপত্র ছিল। তবুও তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়, তারা কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের লোক কি না। জারার বক্তব্য, আইন অনুযায়ী দলীয় বা স্বেচ্ছাসেবী পরিচয়পত্র দেখানোর কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। নির্বাচন কমিশনের প্রশিক্ষণেও জাতীয় পরিচয়পত্র, ছবি ও অনুমতিপত্রকেই যথেষ্ট বলা হয়েছে।
এই ঘটনাগুলো ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠুতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বলে অভিযোগকারী পক্ষ জানিয়েছে। তাদের মতে, এমন আচরণ পুরো প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
এ বিষয়ে তারা নির্বাচন কমিশনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সব কেন্দ্রে আইন সমানভাবে প্রয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।