অনিয়মিত অভিবাসন মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়াতে বৈঠক করেছে Bali Process–এর রিজিওনাল সাপোর্ট অফিস (আরএসও) এবং বাংলাদেশ দূতাবাস।
থাইল্যান্ডে বাংলাদেশ দূতাবাসে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে আরএসও প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির কো-ম্যানেজার ডেভিড স্কট। তিনি বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
বৈঠকের মূল আলোচ্য ছিল একটি গবেষণা প্রতিবেদন—
“Community Perceptions and Information Needs of Persons at Risk of Irregular Migration in Bali Process Member States: Evidence from Bangladesh, Indonesia, Malaysia, and Thailand”।
প্রতিবেদনটিতে বাংলাদেশসহ চারটি দেশের ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসনপ্রবণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি, তথ্যপ্রাপ্তির সীমাবদ্ধতা এবং অনিয়মিত পথে বিদেশে যাওয়ার পেছনের কারণ বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পায়—
- অনিয়মিত অভিবাসনের মূল কারণগুলো চিহ্নিত করা
- সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া
- আঞ্চলিক পর্যায়ে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ
- দালাল চক্র ও মানবপাচার রোধে সহযোগিতা বৃদ্ধি
বৈঠকে বলা হয়, অনেক ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের অভাব, ভুল তথ্য, অতিরঞ্জিত বিদেশের স্বপ্ন এবং নিরাপদ অভিবাসন প্রক্রিয়া সম্পর্কে অজ্ঞতা মানুষকে ঝুঁকিপূর্ণ পথে ঠেলে দেয়। ফলে তারা প্রতারণা, শোষণ এবং মানবপাচারের শিকার হয়।
উভয় পক্ষ মত দেয় যে, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের মধ্যে তথ্য বিনিময় ও সমন্বিত উদ্যোগ জোরদার করা গেলে অনিয়মিত অভিবাসন উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।
বালি প্রসেস মূলত মানবপাচার, চোরাচালান ও অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে কাজ করে আসছে। এ ধরনের বৈঠক ভবিষ্যতে আরও কার্যকর ও নিরাপদ অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।