বাংলাদেশে ১,০০০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণে চীনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, পরীক্ষাগার সরঞ্জাম, চিকিৎসা যন্ত্রপাতি এবং চিকিৎসক-গবেষকদের জন্য আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করতে চীনের সহায়তা প্রয়োজন।

সচিবালয়ে আয়োজিত এক বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন-এর সঙ্গে আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশে প্রস্তাবিত এক হাজার শয্যার হাসপাতাল নির্মাণে চীন তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক ও গবেষকদের জন্য আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলাও জরুরি।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, হাসপাতালটি সাধারণ বা বিশেষায়িত—যে ধরনেরই হোক, নির্মাণে চীন সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তিনি জানান, অতীতেও জরুরি স্বাস্থ্য পরিস্থিতিতে চীন পাশে ছিল। মাইলস্টোন স্কুলে বিমান দুর্ঘটনার পর আহতদের চিকিৎসায় চীনা চিকিৎসক দল বাংলাদেশে আসে। এছাড়া একটি রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারের জন্য ৮২টি যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের চীনে প্রশিক্ষণের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। উচ্চশিক্ষায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও গবেষকদের আবাসনের বিষয়েও সহযোগিতার আগ্রহ রয়েছে।

বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত আশা প্রকাশ করেন, প্রস্তাবিত এক হাজার শয্যার হাসপাতালটি উত্তরবঙ্গে স্থাপন করা হবে। এতে ওই অঞ্চলের মানুষ উন্নত চিকিৎসা সুবিধা পাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা গত কয়েক বছরে বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন এই হাসপাতাল প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে তা দেশের সরকারি স্বাস্থ্যসেবায় একটি বড় সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *